মোস্তাফিজের ওভার শেষের জন্যই রেখেছিলাম : সানজু

মোস্তাফিজুর রহমানকে দিয়ে আইপিএলের ফিরতি পর্বে নিজেদের বোলিং ইনিংসের সূচনা করেছে রাজস্থান রয়্যালস….
মঙ্গলবার রাতে মোস্তাফিজুর রহমানকে দিয়ে আইপিএলের ফিরতি পর্বে নিজেদের বোলিং ইনিংসের সূচনা করেছে রাজস্থান রয়্যালস।

প্রথম ওভারটিতে মাত্র ৪ রান খরচ করেন দ্য ফিজ। পরে ইনিংসের ১৯তম ওভারে নিজের শেষ ওভার করতে এসেও ঠিক ৪ রান দেন এ বাঁহাতি পেসার।

সমীকরণ যখন ১২ বলে ৮ রান; তখন নিজের শেষ ওভারে ৪ রান দেয়ার মাধ্যমেই ম্যাচ মোড় ঘুরিয়ে দেন মোস্তাফিজ। পরে ইনিংসের শেষ ওভারে মাত্র ১ রান খরচ করে রাজস্থানকে ২ রানের অবিশ্বাস্য এক জয় এনে দেন ২০ বছর বয়সী তরুণ ডানহাতি পেসার কার্তিক তিয়াগি।

এমন শ্বাসরুদ্ধকর এক জয়ের পর প্রেজেন্টেশনে রাজস্থান অধিনায়ক সানজু স্যামসন জানিয়েছেন, মোস্তাফিজের প্রতি নিজের আস্থার কথা। বাংলাদেশি পেসারের সামর্থ্যে ভরসা থাকায় তাকে শেষ দিকের কঠিন ওভারগুলোর জন্যই রেখে দিয়েছিলেন সানজু। যার ফলও তিনি পেয়েছেন।

ম্যাচ শেষে সানজু বলেছেন, ‘শেষপর্যন্ত বিশ্বাস রেখেছিলাম যে আমরা জিততে পারবো। আমরা জানতাম আমাদের হাতে স্পেশাল বোলার রয়েছে।

আমি শেষের জন্যই মোস্তাফিজের ওভার রেখেছিলাম। ইয়র্কার, বিশেষ করে ওয়াইড ইয়র্কার নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলো তিয়াগি। নতুন ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে তা দারুণ কাজে লাগিয়েছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘সব ব্যাটসম্যানের জন্য আমাদের যথাযথ ফিল্ডিং পরিকল্পনা ছিলো, একদম শেষ ব্যাটসম্যান পর্যন্ত। আমরা আমাদের ব্যাটিং স্কোর নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলাম। এমন উইকেটে এই রান (১৮৫) অনেক ভালো। বোলিং-ফিল্ডিংয়েও আমরা ভালো দল। কিছু ক্যাচ না ছুটলে আরও আগেই ম্যাচ জিতে যেতাম।’

আইপিএলের ফিরতি পর্বের প্রথম ম্যাচটিতে কোনো উইকেট পাননি মোস্তাফিজ। তবে তার দ্বিতীয় ও চতুর্থ ওভারে একটি করে ক্যাচ ছেড়েছে রাজস্থানের ফিল্ডাররা। নয়তো পেতে পারতেন দুইটি উইকেট। অন্যদিকে শেষ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করা কার্তিক ৪ ওভারে ২৯ রান খরচায় নিয়েছেন ২ উইকেট, হয়েছেন ম্যাচসেরা।

ম্যাচসেরার পুরষ্কার জেতা কার্তিক বলেছেন, ‘আইপিএলের প্রথম পর্বে আমি ইনজুরিতে ছিলাম। যখনই সুস্থ হলাম, টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়ে গেলো।

আজ (মঙ্গলবার) সুযোগ পেয়ে দারুণ লেগেছে। গত কয়েক বছর ধরেই আমি সিনিয়রদের সঙ্গে কথা বলছি। তারা আমাকে জানিয়েছে, যেকোনো সময় ম্যাচ ঘুরতে পারে। আমি জানতাম ডেথ ওভারে আমার সামর্থ্য রয়েছ

Author: Update Media